পৌষল্যা ও পৌষ মেলা

Poem by Swaralipi Das


বারো মাসে তেরো পার্বণ নিয়ে মোজে থাকে সব বাঙালি,
তাইতো আনন্দের ডালি নিয়ে হাজির
পৌষালী ।
করতে উপভোগ শীতের আমেজ
সপরিবারে পাড়ি দেয় বেঁধে ভারী লাগেজ। ভ্রমণপিপাসু বাঙালির যে বরাবরই তীর্থের টান এর মাঝে রোজ ই চলে পিকনিকের মজাদার গান। ডিসেম্বর জানুয়ারি দু মাস হয় শীতের কাঁপন পাড়ায় পাড়ায় দলবেঁধে তাই চড়ুইভাতির হয় আয়োজন।
কারোর আবার মনে হয় একটু দূরে যাওয়া প্রয়োজন গাড়ি নিয়ে চলো যে তাই করতে বনভোজন। পৌষল্যা পিঠে পুলি নলেন গুড়ের রসগোল্লা শীতের শেষে চলছে তাই গ্রাম শহরে পৌষ মেলা । এরই সঙ্গে জুড়েছে মানুষ শীতের আনন্দে ক্রিকেট খেলা
বইমেলার পাশে চলছে তাই বাহারি কৃষি
মেলা ,
এখন আবার চলছে মেলায় পিঠে পায়েসের প্রদর্শন পৌষ মেলায় বিখ্যাত হলো কবিগুরুর শান্তিনিকেতন। গঙ্গাসাগরে ভিড় করে হয় মকর সংক্রান্তির মেলা
জালুইডাঙগার কাঠের জিনিস আর চড়ো নাগরদোলা ,
একই সময়ে প্রয়াগে চলে বিখ্যাত কুম্ভ মেলা। শীতে ঠক ঠক পুণ্যের আশায় স্তব করে ডুবিয়ে গলা করোনার ভয়ে এ বছর হবে বাড়িতে চড়ুইভাতি , পৌষ কালী মায়ের পুজোয় যে তাই সবাই আনন্দে মাতি।
©swaralipidas

প্রিয় গ্ৰিটিংস কার্ড

Poem by Swaralipi Das


ছোটো বেলায় যেটা কিনব বলে করতাম বায়না
বড় হয়ে সেটাই বোধহয় কেনা আর হয় না!
নতুন বছরের শুভেচ্ছা দিতে
আগেই যাব দোকানে জিনিস টি কিনতে ।
আমার পছন্দ গোলাপ বা কার্টুন ,বন্ধুর জন্য সিনারি
নানা রকম কার্ডের মধ্যে সেরা টি হবে আমারই
পরের বার আরেকটু বড় গ্ৰিটিংস কার্ড কিনতে গিয়ে
দেখলাম জিনিসটাই বর্তমানে গেল হারিয়ে।
সোশ্যাল উইশ ফরোয়ার্ড করেই উইশ এখন চলে
রিপ্লাই দেয় কেউ কেউ আবার সেম টু উ বলে!
গ্ৰিটিংস কার্ডের রকমারির সাথেই রঙিন ছিল জীবন
স্কুলে বা প্রাইভেটে কে কটা কার্ড পেল গল্প
শুনতাম তখন।
হারিয়ে গেছে সেই সব বন্ধুরা , যোগাযোগ আর নেই
গ্ৰিটিংস কার্ডের সেই ছড়া গুলো থাকবে শুধু স্মৃতিতেই।
নতুন বছরে এসেছে এখন নতুন রকম উইশ আর নতুন ওয়ার্ড


অনেক স্মৃতি বহন করে ভালো থাক সেই সব গ্ৰিটিংস কার্ড।
নতুন বছরে উদিত প্রথম সূর্য কিরণ
আলোকিত করে তুলুক এ ভুবন ও সবার জীবন
কেটে যাক করোনা , জনজীবন হোক স্বাভাবিক আবার
যাতে প্রাণ খুলে হাসিভরা মুখ দেখা যায় সবার ।
©swaralipidas

ধামেশ্বর গৌরসুন্দর

Poem by Swaralipi Das


স্বরলিপি দাস


দোল পূর্ণিমায় আলোকিত হল ছোট্ট কুটির ঘর
শচী মায়ের কোল আলো করে
এলেন নবদ্বীপে গৌরসুন্দর।
অন্নপ্রাশনে পেলেন তিনি নাম
বিশ্বম্ভর ,
সঙ্গী হল নিতাই ,যে তারই সহোদর।
নিম গাছের তলায় জন্ম তার তাই তিনি নিমাই।
সংস্কৃত টোলে পণ্ডিতরা শাস্ত্র তাকে শেখায়।
বড় হলেন নিমাই পণ্ডিত স্ত্রী হলেন লক্ষীপ্রিয়া
অল্প সময়েই স্বর্গে গেলেন নিমাই কে ছাড়িয়া।
এরপর তার বিবাহ হলো পত্নী বিষ্ণুপ্রিয়া
২৮ বছরে হলেন গৃহত্যাগী স্ত্রীকে ঘুমন্ত রাখিয়া।
কেশব ভারতী দিলেন সন্ন্যাস আশ্রম কাটোয়ায়
শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্য নাম পেলেন মাথা মুড়িয়ে তথায়
এরপর গয়ায় গিয়ে নিলেন হরিনাম দীক্ষা
ঈশ্বরপুরী দিলেন তাঁকে কৃষ্ণ প্রেমের শিক্ষা।
শ্রীমন্ মহাপ্রভু হলেন তিনি করলেন বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার ভক্তিবাদী রসে করলেন জগাই মাধাই উদ্ধার।
হরিনাম প্রচারে পাশে ছিলেন নিতাই শ্রীবাস,
অদ্বৈত রূপ সনাতন চাঁদ কাজি আর যবন হরিদাস।
কৃষ্ণপ্রেমে মাতিয়ে জগৎ, গেলেন পুরী ধামে
পেয়ে দর্শন জগন্নাথের মিশে গেলেন থামে ।
খোল করতাল হরিনামে ছড়ালেন বৈষ্ণব ধর্ম
মন্দিরে চলে নাম কীর্তন রীতি মেনে পাঠ কর্ম।
নবদ্বীপ হল মন্দির শহর ইসকন মায়াপুরে
রাসমেলা আর দোলের খ্যাতি বিস্তৃত জগত জুড়ে।।

In the Birth Anniversary of Netaji Subhash Chandra Bose ❤️🔥🇮🇳🇮🇳

Read there and follow the following link to listen the recitation on youtube

Thanks for Reading

Poem by Mrinal Manna

|| নদী-তীরে এসে ||

কতদিন ভাবি কখনো একলা,
নদীর তীরে এসে,
সুন্দর কটি কবিতা লিখবো, চুপটি করে বসে।

নদী বয়ে যাবে তবু রয়ে যাবে,
দিন ঢলে যাবে রাতে,
আমি বসে একা থাকবো সেখানে, ঐ তারাদের সাথে।

কবিতা যদি না লিখি তখন,
শুধু চোখ ভরে দেখি,
দেখি মায়ারাতে জ্যোৎস্নার সাথে, আমিও বইছি একি।

রুপোলি-শীতল জলের সঙ্গী,
আমি নিশীথের যাত্রী,
কতদূরে যাব জানিনা কিছুই ! জানে তারাভরা রাত্রি।

এই মায়াভরা তারাকাশ কেটে,
আসবে যখন ভোর,
দেখবো নদীতীরে শুয়ে আছি আমি, কাটছে সকল ঘোর।

পাখিরা আকাশে উড়ে যাবে দূরে,
সূর্য উঠবে ভেসে,
ঘাটের লোকেরা আমায় দেখে, উঠবে জোরে হেসে !

উঠে দেখবো কবিতা লিখিনি !
শুধুই দেখেছি তাকে,
সে বয়ে যাবে আর বলে যাবে, ‘সব যেন মনে থাকে !

মৃণাল মান্না

শ্বেত পাথরের পরী


অমল,বিমল,কমল,শ্যামল আর অনল পাঁচ বন্ধু তাদের মিল দেখে অনেকে তাদের ‘পঞ্চপাণ্ডব’ বলে ৷
তারা খুবই বুদ্ধিমান ,অমিল যে ছিল না তা নয় ,তবে তা ক্ষণস্থায়ী ৷পাঁচ বন্ধুর প্রত্যকেরই ছিল ব্যবসা ৷ তাদের প্রত্যকেই থাকত চাঁপা ডাঙায় ৷অমলের বাবা নিশিকান্ত ছিলেন সম্পদশালী মানুষ ৷তিনি কিছুকাল আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান ৷ অমলের ঠাকুরদা কৃষ্ণকান্ত দেশের বাড়িতে থাকতেন৷ তিনি বেশ রাশভারী দাম্ভিক বিত্তশালী মানুষ ৷ অমলের বাবা ছিলেন একমাত্র সন্তান ৷ অমল ও বাবার একমাত্র সন্তান ৷ পৈতৃক সম্পত্তির একমাত্র উত্তরাধিকার হওয়ায় অমলের আর্থিক অবস্থা স্বচ্ছল ছিল কিন্তু সে ছিল লোভী ও চতুর স্বভাবের ৷ অমলের আর্থিক অবস্থার তুলনায় অন্য চার বন্ধুর আর্থিক অবস্থা খারাপ ছিল ৷ অমলের মতো কমল ও বিমল দুজনেই ছিল বিবাহিত ৷তাদের দু-জনেরই একটি করে পুত্র সন্তান ছিল ৷ দোকান থেকে যা আয় হত তা দিয়ে কমলের চলত না ৷ তাই তার স্ত্রী মেনকা তাঁতের কাজ করত ৷ শ্যামল ছিল একটু ডানপিটে গোছের ৷ লম্বা ,ফর্সা, দোহারা ,চেহারার শ্যামল ছিল খুব পরিশ্রমী ৷ তার লটারির নেশা ছিল ৷ তার ছেলে পাপ্পুর পড়াশোনায় মনোযোগ ছিল প্রচণ্ড ৷ তার বুদ্ধিমতী ,হিসেবি স্ত্রীর জন্য মধ্যবিত্ত সংসার মোটামুটি খারাপ চলত না ৷ বিমলের অবস্থা ছিল বেশ ভালো ৷ পেশায় সে ছিল স্বর্ণকার ৷ সে বেশ লাজুক স্বভাবের সে খুব কম কথা বলত ৷ তবে সে একটু কুঁড়ে স্বভাবের ছিল ৷ এবার অনলের কথায় আসি ৷ সে লেখাপড়া খুব বেশি করেনি,বাবা -মা হীন ছোটবেলা থেকেই সে পরিশ্রম করে এসেছে ,পৈতৃক সম্পত্তি বলতে একটা ছোট ঘর ৷ ওপরে টিন ,পাশে বেড়া,একটা হাত বিকৃত হওয়ায় প্রতিবন্ধী ভাতাও পেত সে ৷একার সংসার অমলের ভালোই চলে যেত ৷
সে দিন সোমবার ২২শে শ্রাবণ ৷পাড়ার মোড়ে প্রয়াণ দিবসের একটা অনুষ্ঠান চলছিল ৷ মাইকে ভেসে আসছিল “দিনের শেষে ঘুমের দেশে “গানটি ৷ অমল কমলকে বলল ‘দ্যখ কমল ,গানটি কেমন মানিয়েছে !’শ্যামল বলল ‘অনল তুই কালকে সন্ধ্যার দিকে কি করবি ?’ অনল বলল “কেন জানিস না কালকে ম্যাচ আছে ,দেখতেই হবে “৷ কমল বলল ‘ক্লাবের সটারলাইন টা ঠিকাছে তো ভাই ‘? অমল বলল কালকে কেবল লাইনের ছেলেটা এসেছিল ঠিক করে নিয়েছি ৷
এর মধ্যেই অমলের স্ত্রী ছুটতে ছুটতে এসে হাঁফাতে হাঁফাতে বলল -“তোমার হুগলির ঠাকুরদা খুব অসুস্থ ৷বাড়ির কেয়ারটেকার কাকু ফোন করেছিল ৷ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যেতে বলেছে ৷”
আড্ডায় ছেদ টেনে সকলে ভাবতে শুরু করল কিভাবে হুগলি যাবে ? অমল বলল ‘এখন তো কোনো গাড়ি নেই ,পাঁচ জন ভোর চারটের গাড়ি ধরে বেরোলে কেমন হয় ?’ কমল বলল – ‘হ্যাঁ – এত রাতে গাড়ি পাওয়া সম্ভব নয় ৷ বরং চল আমরা একটা প্রাইভেট করে ভাড়া করি ৷পাঁচ বন্ধু সেই রাতেই গাড়ির ব্যবস্থা ফেলল৷
পরদিন ভোর ছটার মধ্যেই ওরা পৌছাল অমলের দেশের বাড়িতে ৷ পৌঁছে দেখল কিছুক্ষণ আগে ঠাকুরদা গত হয়েছেন ৷চারপাশে বহু লোকের সমাগম ৷ অমলকে দেখেই কেয়ারটেকার কাকু হাউমাউ করে কেঁদে উঠলেন ৷ বললেন ‘খোকা কর্তা তো চলে গেলেন এখন তার শেষকৃত্যর ব্যবস্থা করো আগে ‘কাজকর্ম মিটিয়ে সকলে ফিরে এল ৷
পাঁচ বন্ধু মিলে এসে ঘরে বসল৷ অমলের ঠাকুরদার কাঠের আলমারি সাজানো ছিল পুরোনো আমলের বেশ কিছু দামী সুন্দর মডেল,ছোট ছোট পুতুল ,ইংরেজ আমলের তরবারি ,আর ও অনেক সংগ্রহ ৷ এ গুলোর মধ্যেই ছিল একটা ‘শ্বেত পাথরের পরী’ ৷ যেটার চোখ দুটো ছিল দুটো লাল রত্ন ৷ অসাধারণ সুন্দর ছিল সেই পরীটি ৷ পাঁচ বন্ধুর চোখ সেটাতেই আটকালো ৷ কমল বলল – “তুই আর ভেবে কি করবি ,ওটা আমার ৷ আমি এটা অনেকক্ষণ লক্ষ্য করেছি ৷
এই পরী নিয়েই বাধল যত গণ্ডগোল ৷ কমল তক্কে তক্কেই ছিল ৷ সে জেগেই ছিল ৷ মাঝরাতে হঠাৎ ‘পরীটা’কে চুরি করবে ভেবে যেই দাঁড়িয়েছে ,অমনি শ্যামল বলল -“বন্ধু আমিও আছি ,তোর সঙগে ,যা হবে হাফ-হাফ ৷ কিন্তু তারা আলমারি রাখার ঘরে ঢুকতেই অবাক হল ৷ আলো জ্বলছে ঘরে ৷ আর টেবিলে সেই মূর্তি রেখে তার দিকে নিথর ভাবে তাকিয়ে আছে অমল৷ ওরা দুজনে ‘অমল কি করছিস? ‘ বলে ঠেলা দিতেই অমল চেয়ার থেকে মাটিতে পড়ে গেল ৷ আর কমল শ্যামল মূর্তি নিয়ে পালালো ৷
ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠে সকলে দেখল অমল মাটিতে পড়ে আর বাকি দুজন মূর্তি নিয়ে উধাও ৷ চারিদিকে হইচই পড়ে গেল ৷ পুলিশকে খবর দেওয়া হল ৷ পুলিশ এসে মৃতদেহ নিয়ে গেল ময়নাতদন্তের জন্য ৷ বিমল ও অনলকে পুলিশ ধরে নিয়ে গেল ৷ ময়নাতদন্তের রিপোর্টে দেখা গেল বিষক্রিয়ায় অমলের মৃত্যু হয়েছে ৷ তদন্তে নেমে পুলিশের কাছে পুরো বিষয় ধোঁয়াশা মনে হল ৷ বিষের কোনো নমুনা পুলিশ ঘরে পেল না ,পাকসথলীতে ও বিষ নেই ,দেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন ও নেই ,তা হলে অমলের মৃত্যু কিভাবে হল? পুলিশ বিমল,অনল সম্বন্ধে খোঁজ নিয়ে দেখল ওরা সত্যিই ঘুমোচ্ছিল ৷ এদিকে শ্যামল কমল পালিয়ে যে হোটেলে উঠেছিল কমল দেখল সেখানে শ্যামল অনেকক্ষণ ধরে একদৃষ্টে মূর্তির দিকে তাকিয়ে আছে ৷ খটকা লাগায় সে কাছে গিয়ে ডাকলেও শ্যামল কোনো সাড়া দিল না ৷ তখন কমল বুঝল শ্যামল ও মারা গেছে ,মূর্তিতেই গণ্ডগোল ৷ কমল মূর্তি নিয়ে গিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করে সমস্ত কথা জানায় ৷
পুলিশের গোয়েন্দারা মূর্তিটি টেবিলে রেখে তার সামনে একটা পোষা কুকুর রাখলেন ৷ কুকুরটিও বেশ কিছুক্ষণ এক দৃষ্টে মূর্তিটি দেখছিল৷ হঠাৎ তারা দেখলেন মূর্তিটি থেকে একটি ‘রশ্মি’ চোখে ঢুকে গেল আর কুকুরটি নিথর হয়ে গেল ৷ গোয়েন্দারা পাথর দুটিকে পরীক্ষা করে দেখলেন চোখের রেটিনার সঙগে পাথরদুটির একনাগাড়ে অনেকক্ষণ সংযোগের ফলে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পাথর থেকে নির্গত হওয়া বিষাক্ত রশ্মি চোখে ঢুকে সারা শরীরে বিষ ছড়িয়ে গিয়ে মৃত্যু ঘটেছে ৷ একটা রহস্যের সমাধান হল৷ লোভে দুটি প্রাণ অকালে ঝরে গেল ,তিনবন্ধু এরপর বেকসুর খালাস পেয়ে গ্রামে ফিরে এল ৷ এখন তাদের নাম ‘ত্রয়ী’৷ সেই স্মৃতি আজও তারা বয়ে নিয়ে বেরাচ্ছে ||

-স্বরলিপি দাস

Poem by Swaralipi Das

করোনা (তৃতীয় অংশ)


দেখতে দেখতে প্রায় ২৫লাখ সংক্রমণ হয়ে গেল আমাদের
দেশে
শুনছি ভ্য৷কসিন পাব এই বছরেরই শেষে ৷
এরই মধ্যে সপুটনিক -৫ তৈরি করে নজিন গড়ল
রাশিয়া
দেশের মানুষ আজ দুশ্চিন্তায়
মরিয়া ৷
নববর্ষ,রথ করে কেটে গেল
ঝুলন
এ বছর রাখিতেও হয়নি কোনো আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠান ৷
দেখতে দেখতে পাঁচ টা মাস
কেটে গেল
ভারতের প্রথম হিউম্যান ট্রায়ালের সাফল্যে মানুষ কিছুটা আশার আলো পেল৷
আজকে ৭৪ তম স্বাধীনতা দিবসে সৈনিক,বিপ্লবী দের সাথে জানায় বিনম্র
শ্রদ্ধা
করোনা যুদ্ধের ডাক্তার,পুলিশেদের,তারাও যে
যোদ্ধা৷
মাসক আর হ্যান্ড সানিটাইজার
এখন হয়ে উঠল জীবনের একমাত্র চারজার
আমার নবম প্রয়াস তাই
লিখলাম অল্প কথায়!
প্রার্থনা করি করোনা মুক্ত দেশকে দেশমাতার
কাছে
শুনি যেন করোনা ভ্যকসিন নিয়ে যেন আরও সুখবর
আছে||

-স্বরলিপি দাস
15.08.2020

Poem by Swaralipi Das

উচ্চমাধ্যমিক


বয়স তখন সতেরো থেকে
আঠারো
কিংবা তারও বেশি কারো
কারো
উচ্চমাধ্যমিক মানে অনেক
স্বপ্নের সূচনা,
উচ্চমাধ্যমিক মানে বাংলায়
বানিয়ে লিখব রচনা৷
উচ্চমাধ্যমিক মানেইংরেজিতে
যোগ হল অনেক
summary
উচ্চমাধ্যমিক মানেইংরেজিতে
সুন্দর report আর কিছু
story ৷
উচ্চমাধ্যমিকে অঙ্ক বিষয়টা
অবশ্যই প্রিয় কারো কারো
কিন্তু পরীক্ষায় বড় অঙ্ক মেলার চিন্তায় মরো!
উচ্চমাধ্যমিকে পদার্থ বিদ্যা
অতটাও ভয়ঙকর নয়
বুঝে বুঝে পড়লে মোটামুটি ভালোই লেগে যায়!
উচ্চমাধ্যমিকে আরও এক মজার বিষয় রসায়ন
একদিকে in- organic অপর দিকে বেঞজিন !
কত কত বিক্রিয়া পরতে গেলে পাগল পাগল লাগত
তবে আমি ছাড়া বোধহয় বাকিরা খুবই ভালোবাসত!
এরপরে আসা যাক তার কথায়,যাকে অনেক
সময়
Science এর ইতিহাস বলা
হয়!
জীবন বিজ্ঞান,হ্যাঁ অবশ্যই
প্রায় সবার
এই বিষয়ে সমর্থন আছে
ভালোবাসার!
সব মিলিয়ে অত মোটা মোটা
বই!
তুলতে তুলতে আমি হিমসিম
খাই৷
তবে খুব খারাপও লাগত না
আর এক অন্য অনুভূতি হলো
পরীক্ষা হলে আগে যাব মা!
উচ্চমাধ্যমিক মানে স্কুলে নিজেই বড় দিদি
কাউকে ঝারিনি কিন্তু মেনে চলতেই হত নতুন বিধি ৷
ক্লাস ৫ এর প্রথম প্রথম দিন
ভাবতাম আমার বিদায়
সম্বর্ধনা কবে হবে?
দেখতে দেখতে প্রায় ছয় মাস আগে শেষ ও হয়ছে কিন্তু স্মৃতি ‘তুমি রবে নীরবে ‘
উচ্চমাধ্যমিক শেখায় অনেক
স্বপ্ন দেখতে!
উচ্চমাধ্যমিক শেখায়
কল্পনা হীন বাস্তব চিনতে৷
সালটা ছিল দু হাজার কুড়ী
পরীক্ষার মাঝে হাজির হল
এক মহামারী!
মার্চ মাসে ধরা পরায় রোগ
হয়েছিল অনেক গোলযোগ!
পিছিয়ে গিয়ে পরীক্ষা
অনলাইনে পেয়েছিলামশিক্ষা৷
শেষ বছরে স্কুল টা হয়ে যায়
বড় প্রিয়!
উচ্চমাধ্যমিক মানে চান্স পাই না পাই জয়েন্ট ও মেডিক্যাল
পরীক্ষা দিও৷
এই বছরে হঠাৎ হল ঘোষণা
বাকি তিন দিনের পরীক্ষা
আর হবে না!
কষ্ট অবশ্যই লাগছে,মনটাও
খারাপ
কিন্তু সবকিছুর জন্য দায়ী করোনার প্রকোপ!
স্বপ্ন ভাঙা মাধ্যমিক
পরীক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক
শেখায় নতুন করে বাঁচতে !
উচ্চমাধ্যমিক শেখায় মেনে আর মানিয়ে নিয়ে থাকতে !
উচ্চমাধ্যমিক মানে অনেক বছরের বন্ধুদের সাথে হয়
বিচ্ছেদ!
বন্ধু হারানোর দুঃখে থেকে যাই কিছুটা খেদ৷
উচ্চমাধ্যমিক মানে অনেকের জীবনে প্রথম ভালোবাসা
আসা!
আবার কারো কারো জীবন থেকে হারিয়ে যাই সেই
ভালোবাসা !
উচ্চমাধ্যমিক আমাদের জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ
বছর!
রেজাল্টে আর যেন না হয় অঘটন তুমি দেখো ঠাকুর৷
উচ্চমাধ্যমিকের পড়েও যেন অটুট থাকে তোমার প্রতি
আমার বিশ্বাস টা
দেখতে দেখতে আমি নিজের মনের ভাব প্রকাশে কবিতা লিখে ফেললাম সাতটা
প্রাটয় দেড় বছরের পড়াশোনার হল আজ
ইতি
ভালো থাকুক স্মরণীয় থাকুক
সব অমলিন স্মৃতি ||

-স্বরলিপি দাস
27.06.2020

Thanks for reading
সত্যি ই উচ্চমাধ্যমিক একটা গুরুত্বপূর্ণ বছর একটু বড় হয়ে গেল সময় নষ্ট করে পরবেন
ধন্যবাদ 😊

Design a site like this with WordPress.com
Get started